সারাদেশ

কলারোয়ায় জাতীয় পরিচয় পত্র জাল করে বয়স্ক ভাতা উত্তালনের অভিযোগ

সাজমিন সাথীঃ,
সাতক্ষীরার জেলার কলারোয়ায় উপজেলায় মাত্র ৫০ বছর বয়সেই বয়স্ক ভাতা নিচ্ছেন উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের কেরালকাতা( পূর্ব ) গ্রামের মৃত রজব আলী সরদারের পুত্র মোঃ ইউনুচ আলী। ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ইউনূচ সদ্য সাবেক প্রভাবশালী এক জনপ্রতিনিধির পি এ হওয়ার সুবাদে এ ধরনের অনেক সুবিধা তিনি ভোগ করেছেন। তিনি নিজের জাতীয় পরিচয় পত্রের সব তথ্য ঠিক রেখে বয়স ১৬ই মে ১৯৬৫ এর স্হলে ১৬ মে ১৯৫০ দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে অবিকল আর একটি ভূয়া জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে জমা দিয়ে ১৭-১৮ অর্থ বছর হতে মাসিক ৫০০টাকা টাকা হারে ব্যাংক হতে অদ্য বধি টাকা উত্তোলন করছেন। নিয়ম অনু্যায়ী একজন পুরুষ ৬৫ বছর এবং মহিলার বয়স ৬৩ বছর পূর্ণ হলে বয়স্ক ভাতার বয়সেই দাবীদার হয়। দু,বছর পূর্বে ২০১৭ সালে যে দিন হতে ইউনুচ ভাতাভোগী হয় তখন তার প্রকৃত বয়স ছিল ৫০ বছর। কলারোয়া উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে প্রাপ্ত তার জাতীয় পরিচয় পত্রের নং ১৯৬৫৮৭১৪৩৭১২১৯৭৯৭ বয়স ১৬-৫-১৯৬৫, ভোটার নং ৮৭০১০১২১৯৭৯৭, এ বিষয়ে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ ফারুক হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিককে বলেনঃ এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি চলমান প্রক্রিয়া, আমার অফিস ইউনুচের নিকট থেকে জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি পেয়ে বয়স্ক ভাতার তালিকায় তার অর্ন্তভুক্তি করেছিল, সেটা জালিয়াতি ছিল তা আমি জানতাম না। তাছাড়া ইউনুচ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেবের পি এ হিসাবে কর্মরত থাকা অবস্হায় এই অপকর্ম করবে সেটা ও আমার জানা ছিল না। আমি বেশ কিছু দিন পূর্বে তার নামে একটি অভিযোগ পেয়ে এর সত্যতা পেয়ে ইউনুচের নাম বয়স্ক ভাতার তালিকা হতে বাদ দিয়ে দিয়েছি। ইউনুচের নাম কর্তন করার পর এখন কলারোয়া উপজেলা ভাতা প্রাপ্ত লোকর সংখ্যা-৭৯৭০ জন। এ বিষয়ে ইউনুসের সাথে কোন প্রকারে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এমন ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসী ঘৃনাভরে গৃহিত সমুদয় টাকা সরকারের কোষাগারে জমা করা সহ জাতীয় পরিচয় পত্র জালিয়াতি করার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

Related Articles

Back to top button
Close