সারাদেশ

কালিয়াকৈরে হাত-পা ও মুখ বাধা অবস্থায় শিশু নিখোঁজের দুইদিন পর উদ্ধার

কালিয়াকৈর(গাজীপুর) প্রতিনিধি:
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার আন্দারমানিক এলাকা থেকে নিখোঁজের দুইদিন পর হাত-পা ও মুখ বাধা অবস্থায় আট বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত শিশু হলো, সুনামগঞ্জের ধরমপাশা থানার কালাঘর এলাকার লাল বাদশার ছেলে আমিরুল ইসলাম (০৮)।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার সফিপুর আন্দারমানিক পূর্বপাড়া এলাকার একটি বহুতল ভবনের একটি কক্ষ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে কি কারনে, কিভাবে এ ঘটনাটি ঘটনানো হয়েছে? তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
পুলিশ ও ওই শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আমিরুল ইসলাশ দীর্ঘদিন ধরে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আন্দারমানিক পূর্বপাড়া এলাকায় তার মামা খাইরুল ইসলামের বাড়িতে থাকেন। কিন্তু গত সোমবার সকালে হঠাৎ করে সে নিখোঁজ হয়। পরে ছেলেধরা সন্দেহে এবং তাকে খোঁজে পেতে ওই আন্দারমানিক এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় মাইকিং করেছে তার স্বজনরা। এরপরও কোনো ভাবে তার সন্ধান মিলেনি। পরের দিন মঙ্গলবার বিকেলে তার মামা খাইরুল ইসলাম বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন। অবশেষে বুধবার রাত ১০টার দিকে ওই শিশুর খোঁজ মিলে ওই এলাকার সৈয়দ আতিকুর রহমানের একটি বহুতল ভবনের নিচতলায় এক ভাড়াটের কক্ষে। তার পরিচয় জানা যায়নি। এরপর থেকে ওই ভাড়াটে পলাতক রয়েছে। পাশের ভাড়াটিয়া ও স্থানীয় লোকজন জানায়, বুধবার পাশের কক্ষের এক ভাড়াটে সাদিয়া আক্তারের মোবাইলে ফোন করে ওই ভাড়াটে। ফোনে করে তিনি বলে তার কক্ষটি খুলে না দিলে সাদিয়ার বড় ধরণের সমস্যা হবে। এতে পাশের ভাড়াটে সাদিয়া আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং আশপাশের লোকজন ডাকে। পরে তারা ওই কক্ষের তালা ভেঙ্গে ভিতরে হাত-পা ও মুখ বাধা অবস্থায় ওই শিশুকে দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে মৌচাক ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ১০টার দিকে তাকে উদ্ধার করে। তার হাত ও পায়ে রক্তাক্ত অবস্থায় থাকায় তাকে সফিপুর তানহা প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখনো সে কথা বলতে পারছে না।
কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) রনি কুমার সাহা জানান, এই শিশুকে কি কারণে ওই কক্ষে আটকে রাখা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে এ ঘটনার পর থেকে ওই কক্ষের ভাড়াটে পলাতক রয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close