সারাদেশ

ক্যান্সারে আক্রান্ত ফাহামিদাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুনঃ

সংবাদ আজকালঃ ফুটফুটে হাসিখুশি মেয়েটির নাম মোছাঃ ফাহামিদা আক্তার। এই পৃথিবীতে সে এসেছে ৪ বছর আগে। পিতা একজন গবির রিকশা চালক। মা গৃহিনী। ফাহামিদা ওর মা-বাবার কোলজুড়ে আছে ৪ বছর ধরে। ওদের বাড়ী দিনাজপুর শহরের পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গার নতুন পাড়ায়। বাবা-মা’র বড় আদরের ফাহামিদা হঠাৎ করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। প্রথমে ওর বাম কানের পাশে ঘা দেখা দেয়। বাবা-মা স্বাভাবিক মনে করে আশপাশের ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ খাইয়ে ভাল করে। কিন্তু ফাহামিদার বাম কানের আশপাশে আবারো ঘা দেখা দেয় এবং ক্রমান্বয়ে ঘাগুলো অস্বাভাবিক আকার ধারন করে। উপায়ন্তর না পেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শেই অনেক কষ্ট করে কিছু অর্থ জোগাড় করে বড় ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যায়। সকলেই এ রোগকে ক্যান্সার বলে আখ্যায়িত করলেও ফাহামিদা ভাল হবে না- এমনটাই বলে সব চিকিৎসক। হতাশ হয়ে পড়ে বড় আদরের কন্যা ফাহামিদার বাবা-মা।

অবশেষে সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস মেডিকেল হাসপাতালের ডাঃ মোঃ আব্দুল হাই আশ্বাস দেন- আপনার মেয়ে ভাল হবে। তবে অনেক টাকা লাগবে। ফাহামিদা’র বাবা রিকশা চালক ফেরদৌস জানতে চান কত টাকা লাগবে ? ডাক্তার জানান, প্রায় ২ লক্ষ টাকা। আকাশ ভেঙ্গে পড়ে ফেরদৌস এর মাথায়। কোথায় পাবে সে এত টাকা। ফিরে আসে দিনাজপুরের বাড়ীতে। প্রতিবেশী থেকে শুরু করে যারা তাকে চেনে তারা সবাই প্রশ্ন করে মেয়ের খবর কি ? বাবা জবাব দিতে পারে না। শুধুই কাঁদে আর বলে মেয়েকে বাঁচাতে হলে লাগবে ২ লক্ষ টাকা।

এখন ফাহামিদার বাঁচার একটি মাত্র পথ এ শহরের বিত্তবান ব্যক্তিরা যদি তাদের সাহায্যের হাতকে বাড়িয়ে দেয় কিংবা জনপ্রতিনিধিরা এগিয়ে অসেন। ৪ বছরের ফুটফুটে সুন্দর মেয়েটির পৃথিবীতে বেঁচে থাকার সখ অনেক। দরিদ্র এই রিকশা চালকের মেয়েটিকে বাঁচাতে আসুন না, আমরা সবাই এগিয়ে আসি। খাজা ইউনুস মেডিকেল হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের প্রধান বলেছেন, ফাহামিদাকে ক্যান্সারমুক্ত করতে ৬টি কেমো দিতে হবে। একেকটি কেমোর জন্য ব্যয় করতে হবে ২০ হাজার টাকা। ফাহামিদার চিকিৎসার জন্য সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বাহাদুর বাজার শাখা, দিনাজপুর-এ সঞ্চয়ী হিসাব খোলা হয়েছে। ওই একাউন্টে আপনি আপনার সাহায্যের টাকা পাঠিয়ে ফাহামিদার চিকিৎসায় সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা। একাউন্ট নং- ৩৪০২৯৭২১। অথবা বিকাশ করার জন্য ০১৭৮০-৭৬৫৮৩০ নম্বর খোলা রয়েছে। আমাদের সকলের একটু চেষ্টায় ফাহামিদা বেঁচে থাকবে আমাদের সাথে এই সুন্দর পৃথিবীতে।

Related Articles

Back to top button
Close