সারাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে মানসিক রোগীর আগুনে ২টি ঘর ভূষ্মিভূত

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ধর্মপুর গ্রামে এক মানসিক রোগীর আগুনে ২টি ঘর ভুষ্মিভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সরজমিনে গিয়ে জানাগেছে, ২১ নং ঢোলারহাট ইউনিয়নে ধর্মপুর গ্রামের নুর ইসলাম (২৩) গত, ০৫ এপ্রিল জুম্মার নামাজের পর হঠাৎ মাথার সমস্যা হয়। তার পিতা সাহার আলীর সাথে টিভি দেখাকে কেন্দ্র করে পিতা-পুত্রের মধ্যে বাক বিতন্ডা শুরু হলে এক পর্যায়ে পিতাপুত্রের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এমন আচরনে তার পিতা সাহার আলী আশে পাশের লোকজনকে সংগে নিয়ে নুর ইসলামকে রশি দিয়ে বেধে আটকানোর চেষ্টা করলে সে চেষ্টাও ব্যার্থ হয়। পরবর্তীতে সে নিজ বাড়ীর একটি বড় আকারের বটি এবং একটি রাম দা দিয়ে প্রথমে তাদের প্রায় দেড়শ কলাগাছ কেটে ফেলে। এর পরে নিজের বাড়ীর গরুর রশি কেটে দিয়ে ছেড়ে দেয়, এক ব্যাক্তির সাইকেল এবং সুকনা মরিচ আগুনে পুড়ে দেয়। এর পর তারই চাচাতো ভাই মো: দেলোয়ারের ঘড়ে আগুন ধড়িয়ে দেয়, এতে মো: দেলোয়ারের ২টি ঘড় ৪টি ছাগল ও ৩০ মন ধান আগুনে পুড়ে যায় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমান আনুমানিক ৮০ হাজার টাকা হবে বলে জানা যায়। অপরদিকে ঢোলারহাট ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সুরেশ চন্দ্র বর্মন ঘটনাস্থলে গেলে মানসিক রোগী তাকে দেখে ধাওয়া করলে সে জীবন রক্ষার্থে তারাহুরো করে পালানোর সময় পরে হোচট খেয়ে পরে গিয়ে ডান হাত ভেংগে যায়। এদিকে, এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে চতুর্দিক হতে ঘিরে ফেলে এবং তাকে ধরতে সক্ষম হয়। এব্যাপারে নুরুল ইসলামের বাবা সাহার আলী জানান, তার এই মানসিক সমস্যা ৪/৫ বছর আগে থেকে। রংপুরের ডা: নুর ইসলামের চিকিৎসা চলছিল।
এ বাপারে ঢোলারহাট ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, পাগল তো পাগলই, এখন যেহেতু তার চিকিৎসা চলছে চিকিৎসা শেষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
রুহিয়া থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায়ের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তার পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায় সে আগের থেকেই একজন মানসিক রোগী মাঝে মাঝে ভালো আবার মাঝে মাঝে পাগলামী করে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সুরাহা করবে বলে তিনি জানান

Related Articles

Back to top button
Close