সারাদেশ

দিনাজপুরে এবারে ১১শ ৯৭টি মন্ডপের পুজায় ৭ হাজারের অধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য থাকবে

এম, এ হক, দিনাজপুর প্রতিনিধি। দিনাজপুর জেলায় এবারে ১১৯৭টি মন্ডপে হিন্দু স¤প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গোৎসব দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি পূজামন্ডপে দুর্গা দেবীকে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় করতে প্রতিমা শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। ৭ অক্টোবর ষষ্ঠী পুজার মধ্যে দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে এবং ১১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

দিনাজপুর জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা মো: সিরাজুল ইসলাম জানান, দিনাজপুর জেলার ১৩ উপজেলায় এবারে ১১শ ৯৭টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ মধ্যে সদর উপজেলায় ১শ ৫৪টি মন্ডপ, বিরলে ৯৪টি, বোচাগঞ্জে ৮৪টি, কাহারোলে ৯৮টি, বীরগঞ্জে ১শ ৫১টি, খানসামায় ১শ ১৫টি, চিরিরবন্দরে ১শ ৪০টি, পার্বতীপুরে ১শ ৪৯টি, ফুলবাড়ীতে ৫১টি, বিরামপুরে ৩৫টি, নবাবগঞ্জে ৭৪টি, হাকিমপুরে ১৭টি ও ঘোড়াঘাটে ৩৭টি পুজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি জানান, জেলার সকল মন্ডপে পুজা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ হতে ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকবে। এসব পূজামন্ডপের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৭ হাজারের অধিক সদস্য নিয়োজিত থাকবে। এর মধ্যে পুলিশ বাহিনীর প্রায় ৮শ’ জন সদস্য এবং আনসার বাহিনীর ৭ হাজার ১শ ১৮ জন সদস্য রয়েছে। আনসার বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে পুরুষ ও মহিলা সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি র‌্যাব সদস্যদের টহল এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আর্মড পুলিশের অভিযান টিম সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি আরো জানান, এসব মন্ডপের মধ্যে ২শ ৭২টি মন্ডপ অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৩শ ২৭টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৫শ ৯৮ সাধারণ পুজামন্ডপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রায় ৫০টি মন্ডপে পারিবারিক উদ্যোগে পুজা অনুষ্ঠিত হবে। এসব মন্ডপে বাড়তি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

দিনাজপুর জেলা দুর্গাপূজা সমন্বয় কমিটির সভাপতি পরিমল চক্রবর্তী তপন ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিধান চক্রবর্তী বাসু জানান, দর্শনার্থীদের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রতিমা দর্শন ও শ্রদ্ধা নিবেদন করার লক্ষ্যে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি সর্বস্তরের নাগরিকদের সমন্বয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি মন্ডপে ৩ জন করে স্বেচ্ছাসেবক সার্বক্ষনিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের নাম ও মোবাইল নম্বর স্ব-স্ব এলাকার থানায় জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close