সারাদেশ

প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ নেতার ৪টা আগুল কেটে নিল প্রতিপক্ষ

সাজমিন সাথী ঃসাতক্ষিরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় শনিবার ১৮মে দুপুর ১টার দিকে সম্পত্তির বিবাদে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ এর নেতা তার সহযোগী নিয়ে প্রতিপক্ষর উপর হামলা। গনমাধ্যমে ব্যাপক লেখালেখি মাদক সেবনরত অবস্থায় ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর গত বছর সাতক্ষিরা জেলা ছাত্রলীগ এর সভাপতি রেজাউল ইসলাম ও সৈয়দ সাদিকুর রহমানের প্রেস রিলিজ এর মাধ্যমে বিতর্ক নেতার হাতে কলারোয়া উপজেলার নেতৃত্ব তুলে দেয়।সেই নতুন কমিটি মেয়াদ দুই মাস হতে না হতেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন উপজেলার ছাত্রলীগ এর সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান নাইচ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ছাত্রলীগ এর সাংগঠনিক ও ব্যাবসায়ী জি এম তুষারের ডান হাতের চারটি আগুল কেটে নেওয়ার।উপজেলার ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক মেহদী হাসান নাইচ ও তার সহযোগী মন্টু,সাগর, বাবু,জুয়েল ও তার ঘনিষ্ঠতা পলাশ সহ নেতাকর্মীরা জি এম তুষার কে পিটিয়ে রামদা দিয়ে হাতের আগুল কাটে নেয়।জি এম তুষার কলারোয়া উপজেলায় পাটুনী গ্রামের মুনসুর গাজীর পুত্র।আহত তুষার জানান কলারোয়া বাসস্টান্ডে বিশেষ মার্কেট এর সামনে প্রথমে মারপিট করে,পরে জি এম তুষার চিকিৎসা জন্য কলারোয়া সরকারি হাসপাতালে গেলে ২টার দিকে হাসপাতাল চত্বরে আবারো কতিপয় যুবকদের হামলা শিকার হন জি এম তুষার। আহত তুষার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য টিকিট নিয়ে ২য় তালায় উঠার পথে হামলাকারিরা দা দিয়ে জি এম তুষার এর মাথায় আঘাত করতে গিয়ে হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে তুষার এর ডান হাতের চার টা আগুল কেটে পরে যায়।সাথে সাথে হামলা কারি হাসপাতালে প্রাচির টপকে পালিয়ে যায়। কলারোয়া সরকারি হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার (আর এম ও ডাঃ শফিকুল ইসলাম প্রথামিক চিকিৎসা দিয়ে সাতক্ষিরা সদরে নিয়ে যেতে বলেন।সাতক্ষিরা সদরে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে চিকিৎসা অবনতি দেখে আহত জি এম তুষার কে খুলনা মেডিকেলে নিয়ে যায়।এ বিষয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জান জানান, আহত জি এম তুষার এর চাচা বাদি সিদ্দিক হোসেন মামলা দায়ের করেন।

Related Articles

Back to top button
Close