জাতীয়

৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস

সাহাব উদ্দীন রাফেল : আজ ৭ নভেম্বর ২০১৯ ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস। বর্তমান সরকারের আমলে সম্পূর্ণ বৈরী পরিবেশে এবার দিবসটি পালন করছে বিএনপি। তবুও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দিবসটি উপলক্ষে করে বিএনপির রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনসহ অন্য সংগঠনগুলো দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আজ বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ,বি এন পির মহাসচিব পৃথক বাণী দিয়েছেন

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সৈনিক-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসেছিলেন সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে। ৭ নভেম্বরের চেতনা তাই জাতীয় জীবনে প্রেরণার উৎস। ওই দিন সৈনিক-জনতা বন্দীদশা থেকে মুক্ত করেন তাদের প্রিয় সেনাপতি জিয়াউর রহমানকে।

বি এন পির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের বলেন ,প্রথমেই বি এন পির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেন ,তিনি বলেন দেশ যখন অপশাসনে নিপতিত হয়, তখন গণতন্ত্র, স্বাধীনতাযুদ্ধের মূল্যবোধ-অঙ্গীকার হুমকির সম্মুখীন হয়।

বাংলাদেশে এখন একটি বিনা ভোটের সরকার ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত। তারা দমন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে জনগণের কণ্ঠরোধ করে দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে শুধুই ক্ষমতায় থাকতে বিভোর হয়ে উঠেছে। এই দুঃশাসনের অবসান হওয়া জরুরি। জনগণ যদি অবাধে ভোট দেওয়ার অধিকারটুকু ফিরে পায়, তাহলেই তারা স্বৈরাচারী শাসনের বিপক্ষে তাদের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে।

এজন্য ৭ নভেম্বরের চেতনায় দেশের সব জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

Related Articles

Back to top button
Close